ফিউচার মার্কেটে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম সাপ্তাহিক লেনদেনের শেষদিনে ২ শতাংশের বেশি কমেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চাহিদা কমে যাওয়া ও রিঙ্গিতের বিনিময় হার বৃদ্ধি ভোজ্যতেলটির দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে জানুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম শুক্রবার টনে ৮৭ রিঙ্গিত বা ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৪ হাজার ৬৮ রিঙ্গিত (৯৮১ ডলার ১৯ সেন্ট)। সপ্তাহজুড়ে ভোজ্যতেলটির দাম কমেছে ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
সেলাঙ্গরভিত্তিক ব্রোকার কোম্পানি পেলিনডুং বেস্টারির পরিচালক পরমালিঙ্গম সুপ্রামনিয়াম জানান, নিম্নমুখী চাহিদা ও রিঙ্গিতের বিনিময় হার বৃদ্ধির কারণে পাম অয়েলের দাম কমেছে। তবে সামনের দিনগুলোয় উৎপাদন কিছুটা কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এতে পণ্যটির মূল্য বাড়তে পারে।
কার্গো সার্ভেয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব অনুযায়ী নভেম্বরের ১-২০ তারিখ মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েল পণ্যের রফতানি আগের মাসের তুলনায় ১৪ দশমিক ১ থেকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ডলারের তুলনায় রিঙ্গিতের বিনিময় হার দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় অন্য মুদ্রা ব্যবহারকারী ক্রেতাদের জন্য পণ্যটি ক্রয় তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। এতে চাহিদা কমে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে দামে।
ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (ডিসিই) শুক্রবার সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম কমেছে যথাক্রমে ১ দশমিক ৩ ও ২ দশমিক ২৪ শতাংশ। শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে সয়াবিনের দাম ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ কমেছে।